একদিন ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করলাম,জাতক অশৌচ বা মৃত অশৌচে নারায়ণশীলা ও গুরু 'পাদপদ্ম' (যাহা আমি নিত্য পূজা করি) স্পর্শে কোন বিধি নিষেধ আছে কিনা?

 অক্রোধঃ ঠাকুর বলিতেন, 'অক্রোধ পরমানন্দ নিত্যানন্দ রায়।অভিমান শূন্য নিতাই নগরে বেড়ায়।' ধৈর্য্য সহকারে নাম করিতে করিতে নামের শক্তির দ্বারা ঐ ক্রোধকেও জয় করা যায়।


কর্তৃত্ব ও অহমিকা বর্জনঃ ঠাকুর অধিকাংশ সময় বলতেন, —'অহঙ্কার বিমূঢ়াত্মা কর্তাহমিতি মন্যতে।'

সুতরাং কর্তৃত্বাভিমান বর্জন করিয়া সব সময় নিজেকে নিরাশ্রয় মনে করিয়া তাঁহার চরণে আত্মসমর্পণ করিতে হইবে।সকলি গুরুর কৃপা। 'গুরোঃ কৃপা হি কেবলম'।

সত্যের অধীন হইয়া সত্যের সেবা করিয়া মন বুদ্ধি অহংকার বিয়োগ করিয়া অখণ্ড সত্য লাভ করা যায়।


আবার একদিন ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করলাম,জাতক অশৌচ বা মৃত অশৌচে নারায়ণশীলা ও গুরু 'পাদপদ্ম' (যাহা আমি নিত্য পূজা করি) স্পর্শে কোন বিধি নিষেধ আছে কিনা?


এই প্রসঙ্গে ঠাকুর বললেন, ''ঘরে যদি বৃদ্ধ পিতামাতা থাকেন, তবে তাগো সেবা করেন না? খাইতে দেন না?

ঠাকুর সেবাও সেই মন নিয়া করবেন।"




Post a Comment

Please Select Embedded Mode To Show The Comment System.*

Previous Post Next Post