ইচ্ছায় হোক,অনিচ্ছায় হোক অনবরত নাম কইরা যাইবেন,তাতে নামের ফল পাইবেন।

 শ্রীশ্রী ঠাকুর যখন নাম দিতেন সবাইকে,এমতাবস্থায় আমি বহুবার শ্রীশ্রী ঠাকুরকে নাম দিতে শুনেছি, সেই সৌভাগ্য আমার বহুবার 

হয়েছিল। তাই শ্রীশ্রী ঠাকুর নাম দেওয়ার সময় যা বলতেন তার কিছুটা আমি আপনাদের বলছি।এগুলো সবই শ্রীশ্রী ঠাকুরের কথা,নাম যখন দিতেন এভাবে বলতেন। অনেক কথাই বলতেন তার মধ্যে কিছু কথা বলছি।


(১) এই যে আপনে নাম পাইলেন এই নামই আপনারে উদ্ধার কইরা লইয়া যাইব। নামই গুরু। বিশ্বাস রাইখেন।

(২) আপনে যদি মনে করেন স্নান, কইরা জামাকাপড় বদলাইয়া শুদ্ধ হইয়া ঠাকুরের কাছে যাইবেন এবং নাম করবেন তাইলে আর আপনের নাম করা হইব না।ঠাকুর তো নিত্যশুদ্ধ,নিত্যমুক্ত।

কত শুদ্ধ হইয়া আপনে তার কাছে যাইবেন? আপনার দেহটা তো ময়লায় ভর্ত্তি। কত শুদ্ধ হইয়া আপনি যাইবেন? তাই যখন যে অবস্থায় থাকেন, হাটে থাকেন, কি বাজারে থাকেন কিংবা বাসায় যে অবস্থায় থাকেন নাম করবেন। নামই গুরু।

(৩) এই যে দেখেন সাধু-সন্ন্যাসীরা পাহাড়-পর্বতে,বনে-জঙ্গলে তপস্যা করেন, কেন করেন? যাতে আর জন্ম না হয়,এই গতাগতি যাতে না হয়।

সংসারে আসা যাওয়া বড়ই কষ্টের। কিন্তু তা বন্ধ করতে নামই পারে।তাই সদা সর্বদা নাম করবেন।

নামই গুরু।

(৪) শেষ জন্ম বড়ই কষ্টের জন্ম। দ্যাখেন না আপনে যেখানে থাকেন সেইখানে দোকান পাট আছে। আপনি সেই দোকান থেইকা কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনলেন। কিছু টাকা দিলেন,কিছু ধার রাখলেন। দোকানীরাও কিছু কয় না।তবে তারা যদি জানতে পারে আপনে চিরকালের জন্য এই জায়গা

ছাইড়া চইলা যাইতাছেন তারা এক সঙ্গে ঝাপাইয়া পড়বো দেনা শোধের জন্য। তখন আপনের খুবই কষ্ট হইব সেই দেনা শোধ করতে। তবে সেই দেনা শোধ কইরা যাওয়াই ভাল।খুবই কষ্ট হইব। কিন্তু দেনা রাখতে নাই। তাই দেনা শোধ কইরা যাওয়াই ভাল।


(৫) ইচ্ছায় হোক,অনিচ্ছায় হোক অনবরত নাম কইরা যাইবেন,তাতে নামের ফল পাইবেন। নামই গুরু। বিশ্বাস রাখবেন।




Post a Comment

Please Select Embedded Mode To Show The Comment System.*

Previous Post Next Post