সর্বধর্ম সমন্বয় - মানব সম্প্রদায় "প্রতীক চক্র"

 

সর্বধর্ম সমন্বয় - মানব সম্প্রদায় 


"প্রতীক চক্র"

সর্ব্বধর্ম সমন্বয়ের এই প্রতীক চক্রটি শ্রীশ্রীঠাকুরের শ্রীহস্ত অঙ্কিত।ডাক্তার দাদা (ডাক্তার জে.এম.দাশ গুপ্ত) ঠাকুরের নিকট হইতে এই চক্র সম্বন্ধে সাক্ষাতে যাহা শুনিয়াছেন এখানে তাহাই লিপিবদ্ধ হইল।এই চক্রে সন্নিবেশিত প্রতিটি গোলক,প্রতিটি রেখা ও চিত্র তাৎপর্যপূর্ণ। 


শ্রীশ্রীঠাকুর তিনটি চক্রমধ্যে বৃহত্তমটির আখ্যা দিয়াছেন "ব্রহ্মাণ্ড"।তৎসংলগ্ন ক্ষুদ্রতর চক্রটির নাম হইল "বুদ্ধচক্র"।ইহা বৌদ্ধ ধর্ম্মের প্রতীক।ব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্র সংলগ্ন ক্ষুদ্রতম চক্রটির নাম "গুরু নানক চক্র"।

ইহা গুরু নানক সম্প্রদায়ের প্রতীক।ব্রহ্মাণ্ডস্থিত কেন্দ্র ভেদ করিয়া যে দণ্ড উত্তর দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হইয়া ব্রহ্মাণ্ডকে পূর্ব্ব ও পশ্চিম দুই ভাগে বিভক্ত করিয়াছে, তাহার নাম "ব্রহ্মদণ্ড"।এই ব্রহ্মদণ্ডের উপরিভাগে উত্তর দিকে আছে—গরুড় মূর্ত্তি।ইহা "ভক্তের স্থান"।ব্রহ্মাণ্ড কেন্দ্র ভেদ করিয়া যে দণ্ড পূর্ব্ব ও পশ্চিম দিকে গিয়া ব্রহ্মাণ্ডকে উত্তর ও দক্ষিণ দুইভাগে ভাগ করিয়াছে—তাহার নাম "শ্রীভগবানের বংশী"।এই ব্রহ্মদণ্ড ও শ্রীভগবানের বংশী ব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্র বিন্দুতে মিলিত হইয়া "ক্রশ" সৃষ্টি করিয়াছে। ইহা খ্রীষ্ট ধর্ম্মের প্রতীক। বৃত্তস্থিত কেন্দ্র ভেদ করিয়া যে দণ্ড বায়ু ও অগ্নিকোণে গিয়াছে—তাহা হইল শিবের ত্রিশূল অর্থ্যাৎ "শৈব ও শক্তি ধর্ম্মের প্রতীক"।

বৃত্তস্থিত কেন্দ্র ভেদ করিয়া আর একটা দণ্ড ঈশান ও নৈঋত কোণের দিকে চলিয়া গিয়াছে। 

ইহার একদিকে রহিয়াছে চাঁদ—"ইসলাম ধর্ম্মের প্রতীক"। অন্যদিকে রহিয়াছে 'খুন্তি'—"রামায়েত সম্প্রদায়ের প্রতীক"।


সকল ধর্ম্মের প্রতি শ্রীশ্রীঠাকুরের যে সমভাব সমদৃষ্টি ও প্রগাঢ় শ্রদ্ধা ছিল এই প্রতীক চক্রটি তাহারই জ্ঞাপক।


শ্রীশ্রীরামঠাকুরের লীলা লহরী

Post a Comment

Please Select Embedded Mode To Show The Comment System.*

Previous Post Next Post